বিনা পুজিতে লাভজন ব্যবসা ২০২৩ এ ১৫টি উপায় !

বিনা পুজিতে লাভজন ব্যবসা করতে চাইলে আপনি ড্রপশিইং ব্যবসা করতে পারেন। এই খানে আপনার কোন মুলধন বা টাকা লাগবে না। ড্রপশিপিং ব্যবসা মুলুত একটি অনলাইন ব্যবসা মডেল যেখানে ব্যবসায়ীদের নিজেদের কোন প্রডাক্ট এর দরকার হয় না । ড্রপশিপিং ব্যবসায় ব্যবসায়ীরা কোন পণ্য স্টক করে না। এর পরিবর্তে আপনি অন্যর পণ্য আপনি অনলাইন স্টোর করে কাস্টমারের কাছে ডিস্প্লে করতে পারেন। যখন কাস্টমার একটি অর্ডার করবে তখন আপনি সেই অর্ডারটি কোম্পানির কাছে পৌঁছায় দিবেন এবং কোম্পানি কাস্টমার কে সরা সরি পণ্যটি সরবরাহ করবে। ধরেন একটা পণ্যর দাম ৫০০টাকা আপনি সেই পণ্য কাস্টমারের কাছে বিক্রি করলেন ৬০০ টাকা মাঝের এই ১০০টাকা আপনার লাভ যার জন্য আপনাকে কোন ধরনের ইনভেস্ট করতে হচ্ছে না। অনলাইনের এই মডেল টি বিনা পুজিতে লাভজনক ব্যবসা করার সুযোগ করে দেই । 

বিনা পুজিতে লাভজন ব্যবসা ড্রপশিপিং করতে হলে কিছু জিনিসের দরকার হবে তা হলঃ

  • প্রথমে আপনার একটি ওয়েবসাইট লাগবে যদি ওয়েবসাইট  না থাকে তাইলে আপনি আপনার সোস্যাল মিডিয়া গুলোকে কাজে লাগাতে পারেন । যেমন সেইসবুক, ইন্সট্রাগ্রাম, টুইটার, টিকটক, পিন্টারেস্ট ইত্যাদি। এই গুলোর মধ্যমে আপনি প্রচার চালাবেন এবং এই গুলো থেকে আপনি আপনার কাক্ষিত গ্রাহক কে আর্কিষ্ট করতে পারেন। বর্তমানে সবাই এই সব মাধ্যমে মানুষ বেশি এক্টিভ থাকে ।
  • এই কাজের জন্য আপনাকে একটি ড্রপশিপিং সরবরাহকারী বা কোম্পানি কে খুজতে হবে। যাতে সেই কোম্পানি এই পরিসেবা গুলো দিতে ইচ্ছুক এবং ড্রপশিপিং পরিষেবা প্রদান করে।
  • পণ্য গুলো কাস্টমারের কাছে প্রচার করার আগে এই একটি নির্দিষ্ঠ মুল্য নির্ধারন করুন যাতে আপনার কমিশন থাকে।

এভাবেই আপনি বিনা পুজিতে লাভজনক ব্যবসা করতে পারবেন। কেননা ড্রপশিপিং ব্যবসা একটি সম্ভাব্য লাভজনক ব্যবসা মডেল।

আরো জানতে পড়ুনঃ অল্প পুজিতে পাইকারি ব্যবসা

বিনা পুজিতে লাভজন ব্যবসা অনালাইন মার্কেটিং বা ব্লগ ব্যবসা 

যারা ভাবতেছেন কিভাবে বিনা পুজিতে ব্যবসা করবেন তার জন্য ব্লগ ব্যবসা হতে পারে অন্যতম একটি মাধ্যম। তাই বিনা পুজিতে ব্যবসা করতে চাইলে ব্লগ ব্যবসা করতে পারেন। ব্লগ ব্যবসা হচ্ছে মুলুত ব্লগ কন্টেন্ট এর মাধ্যমে পণ্য বা পরিষেবা বিক্রি করা। এর জন্য সব থেকে বেশি যেই জিনিসটা দরকার হবে তাহল ভালো মানের লেখনি বা কন্টেন্ট লেখার অভিজ্ঞ হতে হবে। কেননা আপনার লেখনি পরেই আপনার অনুসারি বা ফলোয়ার বানাতে হবে। এই লেখনির মাধ্যমে যত বেশি ফলোয়ার হবে আপনার জন্য তত বেসি পরিষেবা দেওয়ার সুযোগ হবে। যখন আপনার কন্টেন্ট ভাল হবে তখন গুগল এর সার্চ ইঞ্জিনের কাছে বুঝতে সহজ হবে এবং গুগল আপনাকে মানুষের সামনে সহজে উপস্থাপন করবে। এ ক্ষেত্রে আপনি অনেক ট্রাফিক বা কাস্টমার পাবেন যাদের কে আপনার পরিষেবা দিতে পারবেন । এই ভাবেই আপনি ব্লগিং বা ব্লগ ব্যবসা করে ভালোমানের টাকা ইনকাম করতে পারেন।

আরো জানতে পড়ুনঃ মহিলাদের জন্য ঘরে বসে ব্যবসা

ইউটিউব চ্যানেল বা ইউটিউবিং করে ব্যবসা করতে পারেন

হয়তো অনেকের মনেই প্রশ্ন জাগে কিভাবে বিনা পুজিতে লাভজন ব্যবসা করা যায়, তার জন্য ইউটিউব চ্যানেল হতে পারে একটি সহজ উপায়। ইউটিউবের মাধ্যমে বিনা পুজিতে ভালো মানের আয় করতে পারবেন। বর্তমানে আমরা সবাই সব সমই ভিডিও দেখতে বেশি পছন্দ করি। দিনের বেশির ভাগ সময়েই ভিডিও দেখে পার করে দেই। তাই আপনি যদি একটি ইউটিব চ্যানেল দিয়ে ব্যবসা করতে চান তাইলে এই খান থেকে অনেক ভাল মানের কাস্টমার পাবেন। আজকাল খবরের কাগজ বা সোস্যাল মিডিয়া গুলোতে নজর করলেই দেখতে পাই ইউটিউবার দের ইনকাম। অনেকেই ইউটিউবে কন্টেন্ট দিয়ে ভালো মানের টাকা ইনকাম করতেছে। যে সকল ইউটিবার দের সাবস্ক্রাইবার বেশি সেসব ইউটিউবারদের কন্টেন্ট এর ভিও ও বেশি হয়ে থাকে। এসব এর জন্য কিন্তু পুজির দরকার হয় না শুধু সঠিক পরিকল্পনার দরকার হয়। 

এসব অর্জন করতে হলে আপনাকে ভালো মানের কন্টেন্ট বা ভিডিও বানাতে হবে যা দেখে আপনার ফলোয়ার আসবে। এছাড়াও সাবস্ক্রাইবার বারানোর জন্য যা যা করতে হয়ে সকল পদ্ধতি আনাকে অনুসরণ করতে হবে। 

ইউটিউবের ভিডিও কন্টেন্টের ভিতরে আপনাকে আপনার পন্য বা আপনি যে পরিষেবা সেল করতে যাচ্ছেন তা লিংক করে দিতে হবে যাতে করে কাস্টমার সহজে গিয়ে ক্রয় করতে পারে । এছাড়াও আপনি যখন গুগল আডসেন্স থেকে এপ্রুভ পাবেন সেখান থেকেও আপনার ইনকাম আসবে । 

পরিশেষে বলা যায় যে আপনি যদি উপরের পদ্ধিত গুলোকে কাজে লাগাতে পারেন তাইলে আপনিও বিনা পুজিতে লাভজনক ব্যবসা হিসাবে ইউটিউব কে বেছে নিতে পারেন।

আরো জানতে পড়ুনঃ বিনা পুজিতে কাপড়ের ব্যবসা

বিনা পুজিতে লাভজন ব্যবসা ভার্চুয়াল অ্যাসিস্ট্যান্ট

ভার্চুয়াল অ্যাসিস্ট্যান্ট হতে পারে আপনার জীবনে বিনা পুজিতে লাভজন ব্যবসার অন্যতম একটি হাতিয়ার। যারা বিনা পুজিতে ব্যবসা করতে চায় তারা ভার্চুয়াল অ্যাসিস্ট্যান্ট এর মাধ্যমে শুরু করতে পারে । ভার্চুয়াল অ্যাসিস্ট্যান্ট বলতে আপনি কোম্পানিতে না গিয়ে দূরে থেকে কোন প্রতিষ্ঠানের বিভিন্ন তাপ্তরিক কাজ করে দিলেন। একজন ভার্চুয়াল অ্যাসিস্ট্যান্ট হয়ে আপনি বিভিন্ন ধরনের কাজ করতে পারেন যেমনঃ ক্লাইন্টের সাথে যোগাযোগ, মিটিং, ফাইল তৈরি, ইমেল আদান প্রদান, সামাজিক যোগাযগ মাধ্যম গুলো পরিচালনা ইত্যাদি।

আপনি যদি নিজেকে একজন দক্ষ ভার্চুয়ালঅ্যাসিস্ট্যান্ট হিসাবে প্রমান করতে পারেন তাইলে আপনার মাধ্যমে প্রচুর আয় করা সম্ভব। আপনি চাইলে নিজে পরিষেবা দিতে পারেন কিংবা আপনার মত কিছু দক্ষ ভার্চুয়াল অ্যাসিস্ট্যান্ট দের নিয়ে একটি এজেন্সি দিয়ে পরিষেবা দিতে পারেন। 

এই খানে আপনার এজেন্সির কাজ হবে টাকার বিনিময়ে পরিষেবা দেওয়া । তাই বলা যায়  যে বিনা পুজিতে লাভজন ব্যবসা হিসাবে আপনি ভার্চুয়াল অ্যাসিস্ট্যান্ট কি বেছে নিতে পারেন। 

আরো জানতে পড়ুনঃ 10 হাজার টাকায় ব্যবসা

বিনা পুজিতে লাভজন ব্যবসা অনলাইন কনসালটেন্ট 

বর্তমান সময়ে বিনা পুজিতে লাভজকন ব্যবসা গুলোর মধ্য সব থেকে এগিয়ে আছে এই অনলাইন কনসালটেশন। যাদের ইচ্ছা আছে বা যারা বিনা পুজিতে ব্যবসা করতে চায় তারা অনাইন কনসালটেশন হিসাবে কাজ শুরু করতে পারে। বর্তমানে সব কিছু অনলাইন মাধ্যম হওয়ায় অনেকেই তাদের পরিষেবা গুলো অনলাইনের মাধ্যমে দিয়ে আসতেছে। অনেকই এখন তাদের অনলাইনে পরামর্শ দিয়ে ভালো মানের আয় করতেছে। তাই আপনি যে বিষয়ে ভালো জানেন বা ভালো সেই বিষয়ে আপনি অনলাইন কনসালটেশন দিয়ে আয় করতে পারেন। সেটা যে কোন ধরনের বিষয় হতে পারে যেমন ফ্রিলান্সিং,খেলাধুলা, আইন, চিকিৎসা, শরীর চর্চা , বিনিয়োগ, মার্কেটিং ইত্যাদি। দেখবেন এক সময় আপনার অনেক অনুসারি হয়ে গেছে ঠিক তখনি আপনি আপনার পরিষেবা গুলো কে ব্যবসায় কনভাট করে আয় করতে পারবেন। মুল কথা আপনি অর্থের বিনিময়ে মানুষ কে পরামর্শ দিবেন। 

এই ধনের ব্যবসা করার জন্য যদি নিজের একটা ওয়েব সাইট থাকে তাইলে সব থেকে ভালো হয়। যাতে সেখানে আপনার কাজের অভিজ্ঞতা এবং পরিষেবা গ্রহন কারীদের ফিডব্যাক গুল থাকে, যা দেখে গ্রাহক পরিষেবা নিতে আগ্রহ প্রশন করে।

আরো জানতে পড়ুনঃ পার্টটাইম ব্যবসা

সোস্যাল মিডিয়া পরিচালনা 

তথ্য প্রযুক্তির এই যুগে যদি একটু খেয়াল করি তাইলে দেখা যাবে যে সকল ধরনের ব্যবসা অফিস আদালত ইত্যাদির কাজ বা প্রচার গুলো সোস্যাল মিডিয়াতে হয়ে থাকে। তাই বিনা পুজিতে লাভজন ব্যবসা এর মাধ্যম হতে পারে এই সোস্যাল মিডিয়া। বর্তমানে অনেক সেবা দানকারি প্রতিষ্ঠান গুলো সোস্যাল মিডিয়া পরিচালনার জন্য দক্ষ ব্যক্তির খোঁজ করে থাকে। চাহিদা অনুযায়ী দক্ষ মানুষ পাওয়া যায় না। তাই আপনি যদি একজন সোস্যাল মিডিয়া পরিচালনায় দক্ষ হতে পারেন তাইলে আপনিও এই সুযোগ টিকে কাজে লাগিয়ে ভালো পরিমান আয় করতে পারেন।

যেহেতু আপনি বিনা পুজিতে লাভজনক ব্যবসা করতে চাইতেছেন সেক্ষেত্রে আপনি আপনার কিছু বন্ধুদের নিয়ে একটা এজেন্সিও দিতে পারেন। যার মাধ্যমে অনেক ভালো আয় করতে পারবেন। আর এইসব কাজ করতে কোথাও যেতে হবে না আপনি ঘরে বসেই এসব করতে পারবেন। যদি ভাল পরিষেবা দিতে পারেন তাইলে আপনার সেবা গ্রহনকারীদের বা ক্লাইন্টের অভাব হবে না।

ট্রেনিং সেন্টার: বিনা পুজিতে লাভজনক ব্যবসা করতে চাইলে ট্রেনিং সেন্টার হতে পারে আপনার জন্য অন্যতম একটি মাধ্যম। এর জন্য কোন টাকার দরকার হবে না আপনি চাইলে আপনার বারির একটা রুকমে ট্রেনিং সেন্টারে রুপান্তর করতে পারেন।সেই খানে আপনি আপনার দক্ষতাকে মানুষের সাথে সেয়ার করে তাদের কে দক্ষ বানাতে সাহায্যে করতে পারেন পাশা পাশি নিজেও ভালো মানের আয় করতে পারেন। ধরেন আপনি একজন ভালো মানের ফ্যাশান ডিজাইনার। এখন আপনি চাইলে আপনার বারির একটি রুম ট্রেনিং সেন্টার বানিয়ে সেই খানে যারা ফ্যাশান ডিজাইন শিখতে চাই তাদের কে ট্রেনিং দিতে পারেন। এভাবেই আপনি আপনার এই মাধ্যকে কাজে লাগিয়ে ভালো পরিমানের আয় করতে পারবেন তাও বিনা পুজিতে।  তাই হতাশা না নিয়ে নিজের জ্ঞান বুদ্ধিকে কাজে লাগিয়ে চলুন। 

আরো জানতে পড়ুনঃ ১০ হাজার টাকায় ২৫ টি ব্যবসার আইডিয়া

বিনা পুজিতে লাভজন ব্যবসা হোটেল ব্যবসা

হোটেল ব্যবসা হতে পারে আপনার জীবনের একটি অন্যতম মাধ্যম। আপনার বাড়ি যদি কোন পর্যটন এলাকায় হয়ে থাকে তাইলে বিনা পুজিতে লাভজনক ব্যবসা এর একমাত্র মাধ্যম হতে পারে এটি। আপনি আপনার বাড়ির একটি বা ২টি রুমকে পর্যটক থাকার ব্যবস্থা করলেন।  এখানে যদি আপনি পর্যটক দের সাথে ভালো আচারন করেন বা ভালো ভাবে আপনার পরিষেবা দিতে পারেন তাইলে আপনার এই এক বা ২ রুমেও অনেকেই থাকতে আসবে। কেননা অনেকেই আছে আবাসিক হোটেল পছন্দ করে না অনেকেই ঘরোয়া পরিবেশে থাকতে বেশি পছন্দ করে। তাদের কে আপনি আপনার টার্গেটেট কাস্টমার ধরে আপনার এই ব্যবসা শুরু করতে পারেন, যা থেকে আপনার ভালো মানের আয় আসবে। 

আরো জানতে পড়ুনঃ বিনা পুজিতে ডিলার

বিনা পুজিতে গ্যারেজ ব্যবসা 

বিনা পুজিতে লাভজনক ব্যবসা এর আলাদিনের চেরাক বলা হয় এই গ্যারেজে ব্যবসা কে।  তাই বিনা পুজিতে ব্যবসা করার চিন্তা থাকলে আপনি গ্যারেজ ব্যবসা দিয়ে শুরু করতে পারেন। শহর বা গ্রামের বাজারে জাদের বাড়ি আছে তারা এখনি এই ব্যবসা শুরু করতে পারে। এর জন্য বিন্দু পরিমানের কোন কিছুর দরকার হবে না। শুধু মাত্র বারির খালি যায়গার প্রয়োজন হবে। 

আরো জানতে পড়ুনঃ বিনা পুজিতে ডিলার

বিনা পুজিতে লাভজন ব্যবসা ঘটক ব্যবসা 

পুজিহীন ব্যবসায় রাজার মতো ইনকাল সাথে আছে জামাইয়ের মতো আদর সন্মান।  এসব কিছু যদি সম্ভব হয় তাও বার বিনা পুজিতে তাইলে কেমন হয়।  হ্যা আপনি চাইলে বিনা পুজিতে লাভজনক ব্যবসা হিসাবে এই ঘটক ব্যবসা কেই বেছে নিতে পারেন এবং শুরু করতে পারেন। ঘটক ব্যবসা এই কথা শুনে আপনি একটু অবাক হতে পারেন এবং ভাবতেও পারেন যে আপনার দ্বারা সম্ভব হবে না। এর মুল এ সমস্যা মনে হবে তা হল মানুষের বাড়ি বাড়ি যাই পাত্র পাত্রি দেখা। আপনি যদি এসব চিন্তা ভাবনার মধ্যে থেকে থাকেন তাইলে বুঝতে হবে আপনি অনেক আগের আদিম যুগ থেকে বের হতে পারেন নাই। যেহেতু এখন যুগটাই অনলাইন ভিত্তিক তাই এসব কিছুই এখন অনলাইনে হয়ে থাকে। 

ঘটক ব্যবসা করতে হলে আপনার জিরো ব্যালেন্স হলেও করতে পারবেন এর জন্য একটু টেকনিক কাজে লাগাতে হবে। বর্তমানে সবাই সোস্যাল মিডিয়া  গুলোতে বেশি এক্টিভ তাই আপনি চাইলে এর প্রচার সোস্যাল মিডিয়া বা আপনার ওয়েবসাইট গুলোতে চালাতে পারেন। সেখানে পাত্র পাত্রিরা এসে নিজেদের তথ্যদিয়ে নিবন্ধন করবে। যেহেতু আপনার সাইটে পাত্র পাত্রির সমস্তকিছু দেওয়া থাকবে সেহেতু সেখানে যারা তথ্য বা পাত্র পাত্রি বিষয়ে দেখতে চাইবে তারা নির্দিষ্ট টাকার বিনিময়ে তা করবে। এক্ষেত্রে আপনিও লাভবান হবেন তারাও তাদের কাক্ষিত সেবা পাবে।  এভাবেই আপনি চাইলে এই খান থেকেও ভালো আয় করতে পারবেন। 

আরো জানতে পড়ুনঃ অল্প পুজিতে পাইকারি ব্যবসা

গ্রামে লাভজনক ব্যবসা

 আপনি যদি গ্রামে থাকেন আর ভাবেন যে কিভাবে বিনা পুজিতে লাভজনক ব্যবসা করবেন। তাইলে আপনার কাছে আছে অপার সম্ভনা। কেননা এখন গ্রামে অনেক ফলের বাগান আছে আপনি চাইলে মালিকের কাছ থেকে কিছু ফল নিয়ে তা বিক্রি করে এনে তাদের টাকা দিয়ে দিলেন। এই খান থেকে লাভ যা হবে তার সম্পূর্ণ টায় আপনার থাকবে যাতে কোন খরচ নাই। এছাড়াও আপনি চালের সেইম ভাবে চালের ব্যবসাও করতে পারেন।

আরো জানতে পড়ুনঃ মহিলাদের জন্য ঘরে বসে ব্যবসা

বিনা পুজিতে লাভজন ব্যবসা কমিশন ব্যবসা

বিনা পুজিতে লাভজনক ব্যবসা এর মধ্য কমিশন ব্যবসা হতে পারে আপনার জীবনের একটি ভালো ইনকামের উৎস। তবে এই ধরনের ব্যবসা করতে গেলে অবশ্যই আপনাকে অনেক চালাক এবং স্মার্ট হতে হবে। এর প্রধান কারন হল একদিনে আপনার কথার মাধ্যমে একটা ব্যবসা প্রতিষ্ঠানের সাথে কথা বলে তাদের সাথে কমিশনের বিনিময়ে পণ্য বিক্রিয় কাজ যোগার করতে হবে। আবার অন্যদিক থেকে কাস্টমার কে বুঝানো এবং সেই পণ্য ক্র‍য় করতে পারে সেই বিষয়ে ও পার্দশী হতে হবে। অতএব আপনি বুঝতেই পারতেছেন এই ধরবের ব্যবসা কতটা চ্যালেঞ্জিং হতে পারে। তবে আপনি যদি একটু বুদ্ধিকে কাজে লাগান তাইলে এইটা অনেক সহজে করতে পারে যেমন টা করে আফিলিয়েট মার্কেটারা। তারা এই একই কাজ অনলাইন এর মাধ্যমে করে থাকে। তারা এই ক্ষেত্রে বিভিন্ন সোস্যাল মিডিয়া ব্লগ বা ওয়েব সাইট কে টার্গেট করে করে থাকে। এজন্যই তারা আনলিমিটেড ইনকাম করে থাকে এইভাবে তাই আপনিও শুরু করতে পারেন।

আরো জানতে পড়ুনঃ বিনা পুজিতে কাপড়ের ব্যবসা

বিনা পুজিতে লাভজন ব্যবসা কন্টেন্ট রাইটিং

বিনা পুজিতে লাভজনক ব্যবসা যদি করতে চান কন্টেট রাইটিং হতে পারে আপনার জন্য ভালো একটা মাধ্যম। আপনি যদি একজন ভালো মানের কন্টেট রাইটার হয়ে থাকেন তাইলে এই দক্ষতা সফলতার সর্বোচ্চ শিখরে আসন দিবে। বর্তমান সব কিছু অনলাইন মাধ্যম হওয়া সবারই কন্টেন্ট লাগে। তাই এই দক্ষতার চাহিদা সব সময় থাকে।  তাই আপনি যে বিষয়টা ভালো ভাবে জানেন সেই বিষয় নিয়ে লেখা লেখি করতে পারেন। আর আপনি নিজে যদি একজন কন্টেন্ট রাইটার হয়ে থাকেন তাইলে আপনি চাইলে আপনার পরিষেবা কে আরো বিস্তার করতে কিছু সংখ্যক রাইটার নিয়ে একটা এজেন্সি দিতে পারেন। যার মাধ্যমে আপনার ভালো আয় আসবে এবং আপনার পরিচিতি বাড়বে।  

বিনা পুজিতে ডাটা এন্ট্রি 

বর্তমানে অনেক নামি দামি কোম্পানি আছে তাদের ডাটাএন্ট্রি করার জন্য লোক লাগে বিনিময়ে তারা অনেক ভালো মানের স্যালারি দিয়ে থাকে। এর জন্য শুধু দরকার আপনার ইচ্ছা শক্তি এবং দক্ষতা। বিনা পুজিতে লাভজনক ব্যবসা এর দিক চিন্তা করলে আপনি এই বিষয়ে দক্ষতা অর্জনে করে নিজেকে ভালো আয়ের উৎস হিসাবে নিয়োজিত করতে পারেন। শুধু তাই নয় আপনি চাইলে ডেটা এন্ট্রি কে সার্ভিস ব্যবসায় পরিনত করতে পারেন। এই ধরনের ব্যবসা করতে কোন ধরনের টাকার দরকার হয় না আপনি ঘরে বসেই এসব করতে পারেন। 

আপনি যদি চান তাইলে শুরুতে একাই করতে পারেন যখন দেখবেন ভালো মত ক্লাইন্ট আসতেছে তখন আপনি একটি এজেন্সি করে আপনার এই পরিষেবা টি দিতে পারেন। যা থেকে আপনার পরিচিতির পাশা পাশি ভালো মানের টাকা আসবে।

আরো জানতে পড়ুনঃ

বিনা পুজিতে লাভজন ব্যবসা ই-বুক ব্যবসা

আধুনিক এই সভ্যতার যুগে এখন কাগজের বয়ের উপরি সবাই নির্ভর করে না। এখন কাগজের বইয়ের পাশাপাশি ই-বুকের চাহিদা দিন দিন বারেই চলতেছে। অনেকেই এখন কাগজের বই না পরে অনালাইনে ই-বুক বা ভার্চুয়াল বই বেশি পরে। তাই আপনি যদি একজন ভালো লেখন হয়ে থাকেন তাইলে ই-বুক হতে পারে আপনার জীবনের বিনা পুজিতে লাভজনক ব্যবসা এর একটি ভালো মাধ্যম। আর এই কাজটি করা খুবি সহজ আপনি চাইলেই হবে। এর জন্য আপনি গুগল নোট বা মাইক্রোসফট ওয়ার্ড বা গুগুল ডক্স ব্যবহার করে সেখানে লেখতে পারেন। পরে সেই টাকে কপি করে আপনি প্রকাশ করতে পারেন।  এইখানে প্রকাশনা কাগজ মেশিন এমন সব কিছুর কোন ঝামেলা নাই। আপনি যখন ইচ্ছা যেখান থেকে ইচ্ছা করে পারেন।

আরো জানতে পড়ুনঃ 10 হাজার টাকায় ব্যবসা

বিনা পুজিতে লাভজন ব্যবসা ওয়েবসাইট তৈরির ব্যবসা 

বর্তামান পৃথিবীতে ১.৮৮বিলিয়ন ওয়েবসাইট আছে এবং এর সংখ্যা দিনের পর দিন বেরেই চলেছে। অন্যান্য দেশের মতো বাংলাদেশও এর চাহিদা এবং যোগান এর হার অনেক বেশি। তাই আপনিও এই সুযোগ কে কাজে লাগিয়ে বিনা পুজিতে লাভজনক ব্যবসা হিসাবে নিতে পারেন বা শুরু করতে পারেন।আপনি ছোট বড় বিভিন্ন প্রতিষ্ঠান এবং ব্যক্তিগত ওয়েবসাইট তৈরি করতে পারেন। কারন এসবের চাহিদা দিনের পর দিন বেড়েই চলেছে।  এর জন্য আপনাকে ভালো প্রগামিং জানতে হবে। এ ছাড়াও আপনি চাইলে ওয়ার্ডপ্রেস এ ভালো হলে খুব সহজেই এই কাজ করতে পারবেন। 

পরিশেষে বলা যায় যে বিনা পুজিতে লাভজনক ব্যবসা বলতে একদম বিনা পুজিতে নয়। আপনাকে কিছু না কিছু অর্থ্য সময় ব্যয় করতেই হবে। যেমন ইন্টারনেটে বিল ওয়েবসাইট বানানোর খরচ ইত্যাদি। তবে এই খানে যদি আপনি নিজে সব কিছু বানাতে পারেন তাইলে আপনার খরচ বেশি হবে না। সেখান থেকে আপনার নেট বা অন্য কিছু খরচ হবে। এছাড়াও আপনার কাজের জন্য বিভিন্ন যায়গায় যেতে হতে পারে এই জন্য আপনার খরচ ও হতে পারে। 

তবে এর ভালো দিক হচ্ছে যখন আপনি এ থেকে ভালো আয় করতে শুরু করবেন তখন আপনার কাছে এইসব খরচ খুবি কম মনে হবে।

আরো জানতে পড়ুনঃ পার্টটাইম ব্যবসা

1 thought on “বিনা পুজিতে লাভজন ব্যবসা ২০২৩ এ ১৫টি উপায় !”

Leave a Comment